২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সরকার মানুষের পেটে হাত দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

আপডেট : আগস্ট ১৯, ২০২২ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ

28

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ভয়ংকরভাবে লুটতরাজ ও ডাকাতির মধ্য দিয়ে মানুষের পেটে হাত দিয়েছে। আজকে সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। এমন একটা দ্রব্য নেই যার দাম দুইগুণ-তিনগুণ বাড়েনি।  প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির সংকট। বিশ্ব অর্থনীতির সংকট তো আছেই, কিন্তু আপনারা কেন আগে থেকে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেননি।

শুক্রবার (১৯ আগষ্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার জ্বালানির সঙ্গে জড়িত আওয়ামী নেতাদের দুর্নীতির সুবিধার্থে জ্বালানি আমদানিতে আগ্রহী মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন চাইলেই কি পারতো না, লাভের টাকায় আরও কিছুদিন সাশ্রয়ী মূল্যে তেল দিতে? সরকার জ্বালানির ওপর কর শূণ্যে নামিয়ে আনতে? কিন্তু তারা তা পারবে না। কেন? তারা এখানে লুট করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাদের সুযোগ দিতে  বিদেশে টাকা পাচার করার জন্য জ্বালানি আমদানি করবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে ভারতের সহায়তা চাওয়া’র বিষয়ে  বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগ নেতারা এক সমাবেশে বড় বড় বক্তৃতা দিয়েছেন, হুমকি দিয়েছেন, সন্ত্রাসী ভাষায় কথা বলেছেন। এতই যদি হুমকি দেন, তাহলে আবার আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য ভারতের সাহায্য দাবি করেন কেন?’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এই কথাটার ব্যাখ্যা চাই। এই কথার অর্থ কী? তাতে কি এটা দাঁড়ায় যে, এই সরকার টিকে আছে ভারতের আনুকূল্যে?’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকার সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিবাজ, চোর, ডাকাতের  সরকার। এদের কোনও বৈধতা নেই। রাতের অন্ধকারে নির্বাচন করে জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। এরা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে।’

আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশ করে ফখরুল বলেন, ‘ক্ষমতা ছেড়ে রাস্তায় নামুন। দেখুন, জনগণের শক্তি বেশি, নাকি আপনাদের ক্ষমতা বেশি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে আওয়ামী লীগ যত ধরনের নির্যাতন আছে, সবই করে যাচ্ছে। রাজনীতি, অর্থনীতি, বিচার ব্যবস্থা, ভোটারধিকার সবকিছু এরা ধ্বংস করেছে। এদের আর সময় দেওয়া যাবে না। রাজপথে জনতার ঐক্য গড়ে গণআন্দোলনের মাধ্যমে এদের পরাজিত করতে হবে।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি