২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

৬ ঘণ্টা অপেক্ষার পরেও কমলাপুর স্টেশন ঢুকতে পারেননি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

আপডেট : জুলাই ২৫, ২০২২ ১:১৩ অপরাহ্ণ

41

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

রেলওয়ের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা, হয়রানির প্রতিবাদসহ ৬ দফা দাবিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে ১৯ দিন ধরে অবস্থান করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি। তার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ছবিটি গতকাল রোববার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে তোলা। ছবি: সুমন আলী/ স্টার

অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম নিয়ে কমলাপুর রেল স্টেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য প্রায় ৬ ঘণ্টা স্টেশনের বাইরে অবস্থানের পরেও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।

কমলাপুর রেল স্টেশন কর্তৃপক্ষ ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় অবশেষে রাত ১১টার দিকে স্টেশন থেকে চলে যান তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে আন্দোলনরত মহিউদ্দিন রনি আজ সোমবার বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন। জীবনবাজী রেখে বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশটাকে স্বাধীন করেছে। অথচ তাকে কমলাপুর স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এটি সবার জন্য লজ্জার।’

রনি জানান, ৬ ঘণ্টা অবস্থানের পরেও কমলাপুর রেল স্টেশনের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসে তার সঙ্গে কথা না বলায় এবং তাকে স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে ধিক্কার জানিয়ে রাত ১১টার দিকে চলে যান।

রনিও আরও জানান, সবার অবস্থান থেকে রেলের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

রেলের অব্যবস্থাপনা ও সহজ ডট কম কর্তৃকযাত্রী হয়রানির প্রতিবাদসহ ৬ দফা দাবিতে গত ৭ জুলাই থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি।

মহিউদ্দিন রনির সঙ্গে সংহতি জানাতে গতকাল বিকেল ৫টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সেসময় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি রনির ৬ দফা দাবিকে যৌক্তিক মনে করি এবং এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাই।’

রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে রনিকে নিয়ে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতে চান তিনি। তবে রেলের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি।

পরবর্তীতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্টেশনের বাইরে অবস্থান নেন এবং ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করার কথা জানান।

রনির আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানাতে রোববার রাত ৯টার দিকে কমলাপুর স্টেশনে যান গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। এরপর রাত ১০টার কিছু সময় পর সেখানে যান ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরও।

সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি