৩রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল

আপডেট : জুলাই ৩, ২০২২ ৬:৫০ অপরাহ্ণ

33

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবার বেড়েছে। এখন ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজি কিনতে ১ হাজার ২৫৪ টাকা লাগবে। এত দিন এ জন্য দিতে হচ্ছিল ১ হাজার ২৪২ টাকা। সে হিসাবে ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ল ১২ টাকা। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ দাম কার্যকর হবে। এর আগের মাসে জুনে কমেছিল ৯৩ টাকা।

আজ রবিবার বিকেলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে। ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্ম জুমে নতুন এ দামের ঘোষণা করেছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল।

গত বছরের ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করে এ সংস্থা। এর পর থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।

বিইআরসি জানিয়েছে, সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত থাকবে। বেসরকারি খাতে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি এলপিজির নতুন দাম ১০৪ টাকা ৫২ পয়সা। এ হিসাবে বিভিন্ন পরিমাণের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

এ ছাড়া গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৫৮ টাকা ৪৬ পয়সা, যা আগে ছিল ৫৭ টাকা ৯১ পয়সা।

জানা গেছে, এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এ দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এ সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।

এলপিজির নতুন দাম জীবনযাত্রার ব্যয়ে প্রভাব পড়বে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিইআরসি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কত দাম বেড়েছে এটাও দেখতে হবে। নেপাল, ভারত দাম বাড়িয়েছে। নতুন দাম নির্ধারণ করার আগে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প, সিএনজি সবাই খুব স্বস্তিতে আছে।

বিইআরসি কর্তৃক নির্ধারিত দামে বাজারে বিক্রি হয় না, বিইআরসি মনিটরিং কম করে—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জুমে বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, এর জন্য ভোক্তারা অনেক বেশি দায়ী। একটা সিলিন্ডার বহন করতে তাদের কষ্ট হয়। যার জন্য বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাসায় পৌঁছে দেওয়ার নামে বেশি টাকা আদায় করে থাকে। তিনি বলেন, সারা দেশে হুবহু বিইআরসির নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রি হয় এটা বলা যাবে না। কিন্তু ভোক্তাদের দায়ও অনেক। ভোক্তারা দোকান থেকে রসিদ নিতে চায় না। ভোক্তাদের অবশ্যই দোকানদারদের কাছ থেকে রসিদ নিতে হবে।




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি