১৯শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পদ্মা সেতু আমাদের অহংকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : জুন ২৫, ২০২২ ১২:০৮ অপরাহ্ণ

18

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের বাংলাদেশের মানুষ গর্বিত। সেই সঙ্গে আমিও আনন্দিত, গর্বিত এবং উদ্বেলিত। অনেক বাঁধা বিপত্তি উপেক্ষা করেই, ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে আমরা আজকে এই পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, এই সেতু শুধু একটি সেতু নয়; এই সেতু দুই পাড়ে যে বন্ধন সৃষ্টি করেছে তা নয়; এই সেতু শুধু ইট-সিমেন্ট-স্টিল-লোহার-কংক্রিটের একটি অবকাঠামো নয়; এই সেতু আমাদের অহংকার। এই সেতু আমাদের গর্ব। এই সেতু আমাদের স্বার্থকতা, আমাদের মর্যাদার শক্তি। এই সেতু বাংলাদেশের জনগণের। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের আবেগ।

আজ শনিবার (২৫ জুন) মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় বহুল প্রত্যাশিত ৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে সকাল ৯ টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার করে মাওয়া সমাবেশ স্থলে এসে পৌঁছান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ‘মাথা নোয়াবার নয়’ থিম সং পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।

পুরো বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বপ্নের সেতুটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল ৯ টা ৫৫ মিনিটে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় সমাবেশস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যেখানে হবে, ইতোমধ্যে সেই সুধী সমাবেশ স্থলে পৌঁছে গেছেন সরকারের মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের অধিকাংশই। প্রায় সাড়ে তিন হাজার অতিথিকে মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সেতুর নির্মান কাজে ৩৭ এবং ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে পদ্মা সেতুর অংশ দৃশ্যমান হয়। পরে একের পর এক ৪২টি পিলারের ওপর বসানো হয় ৪১টি স্প্যান। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর শেষ ৪১তম স্প্যান স্থাপনের মাধ্যমে বহুমুখী ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর সম্পূর্ণ কাঠামো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

সূত্র: দেশ রূপান্তর




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি