১৯শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মিডিয়ায় আত্মবিশ্বাসী আয়রা আরা স্বর্ণা

আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২ ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ

312

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

সোস্যাল মিডিয়ার কল্যানে ও তথ্য প্রযুক্তির বিস্তর সমৃদ্ধির জন্য একে একে রুপালি পর্দায় আসছে নতুন নতুন মুখ। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সুনিপুণ অভিনয় শৈলী দিয়ে স্বাক্ষর রেখে চলেছেন মিডিয়া অঙ্গনে। ঢাকার শোবিজের এই নতুনের সাথে পথচলাতে যুক্ত হলো আরো একটি নতুন মুখ আয়রা আরা স্বর্না।

আয়রা আরা স্বর্ণা

ঢাকার মোহাম্মদপুরে জন্ম নেয়া আয়রা, বাবা মায়ের বড় সন্তান। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন নিজেকে মিডিয়া অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করার। তারই ধারাবাহিকতায় মিডিয়াতে শুরু করেছেন নতুন নতুন ব্রান্ডের ফটোশুটে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ফটোশুটে অংশ নিয়েছেন আয়রা।

আয়রা আরা স্বর্ণা

আয়রা ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়ছেন শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি তে। মিডিয়ার পাশাপাশি লেখাপড়া চালিয়ে যেতে চান তিনি। ভবিষ্যতে আয়রা আরা স্বর্ণা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান মিডিয়া অঙ্গনে। সে জন্য কঠোর পরিশ্রম ও সাধনা করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে দেশের নামকরা ফটোগ্রাফার দের সাথে বিভিন্ন শুটে অংশ নিয়েছেন।

আয়রা আরা স্বর্ণা

বাংলাদেশে মেহজাবিন চৌধুরী, বিদ্যা সিনহা মীম, সাফা কবির, মোশাররফ করিম, অপূর্ব ও তৌসিফ মাহবুব এবং বিদেশে ক্যাটরিনা, দিশা, কৃত্তী শানন তার পছন্দের তারকা শিল্পী।

আয়রা আরা স্বর্ণা

তুলা রাশির জাতিকা আয়রার পছন্দের পোশাক ওয়েস্টার্ন ও শাড়ি। কমলা রঙ টা তার খুব অপছন্দের। তবে কালো, নীল ও মেরুন রঙ তার মন কাড়ে সবসময়।ঋতুরাজ বসন্ত তার প্রিয় ঋতু। খেতে পছন্দ করেন আপেল, মাল্টা। যেখানে সবাই মিডিয়া অঙ্গনে ফাস্ট ফুড পরিহার করে, সেখানে স্বর্ণা পিজ্জা, পাস্তা পেলে নিজেকে ধরে রাখতে পারেন না।

আয়রা আরা স্বর্ণা

শুটিংয়ের কাজে বিভিন্ন জায়গায় গেলেও এবার সেটাই নেশা হয়ে গেছে আয়রার। ঘুরতে পছন্দ করেন তিনি। সাজেক, সেন্ট মার্টিন্স যেতে চান বারবার। লাল গোলাপের পাশাপাশি পেঙ্গুইন পছন্দ আরিয়া আরা স্বর্ণার। গিটার বাজাতে পারেন আর অন্য দশটা মেয়ের মতই বরাবর শপিং তার প্রিয়।

আয়রা আরা স্বর্ণা

আয়রা আরা স্বর্ণা বলেন, আমি মিডিয়া অঙ্গনে কাজ করে নিজের জন্য একটা জায়গা তৈরি করতে চাই। তারজন্য ভালো ভালো কাজে নিজেকে যুক্ত করতে চাই। আয়রা আরো বলেন, আমি চাই আমার কাজ দেখে দর্শক আমাকে অনেকদিন মনে রাখুক। তিনি সবার কাছে দোয়া ও ভালোবাসা চেয়েছেন।




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি