২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বইমেলা এক মাস চলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২ ৮:০৩ অপরাহ্ণ

54

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতিতে বিলম্বিত অমর একুশে বইমেলা-২০২২ প্রাথমিকভাবে ঘোষিত ১৩ দিনের বদলে ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ানো প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রকাশকেরা। এবার সেই প্রস্তাবে সায় দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে বাংলা একাডেমির মূল আয়োজনের সঙ্গে গণভবন থেকে সরাসরি ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনী বক্তব্যে মেলা এক মাস বাড়ানোর প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় পুরো মাসই (মেলা) চালাতে পারি। যেহেতু আমাদের প্রকাশকদের পক্ষ থেকে একটা দাবি এসেছে যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চ পর্যন্ত চালাতে পারে। আমি মনে করি যে, বইমেলা এক মাস চালাতে পারি। তবে সেটা আপনারা নিজেরাও দেখবেন ভেবে।’

প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্যের পর অনুষ্ঠানস্থলে থাকা অতিথিরা হাততালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

এর আগে বাংলা একাডেমি জানিয়েছিল, এবার ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলা পর্দা নামবে। এরপর প্রকাশকদের দাবি মুখে জানানো হয়, মেলার সময় বাড়বে কিনা তা করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

বইমেলা ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া মহান একুশে ফেব্রুয়ারি মেলা শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ বর্গফুট জায়গায় বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় মোট ৩৫টি প্যাভিলিয়নসহ একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৪২টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৩৪টি ইউনিট; মোট ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪টি প্রবেশপথ ও ৩টি বাহির পথ জনসাধারণের প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জন্য থাকবে। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমির  ফেলো এবং রাষ্ট্রীয় সম্মানপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশে বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। তবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে প্রথমদিকে ‘শিশু প্রহর’ থাকছে না।

অন্যদিকে, লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়ে উদ্যানের অ্যাম্ফিথিয়েটারের পূর্বদিকে মেলার মূল প্রাঙ্গণে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মোট ১২৭টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বইমেলায় বাংলা একাডেমি এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান শতকরা ২৫ শতাংশে বই বিক্রি করবে।

সূত্র: দেশ রূপান্তর




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি