৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের নির্বাহী সুবিধার আবেদন আবারও নাকচ করলেন বাইডেন

আপডেট : অক্টোবর ২৬, ২০২১ ১:০৭ অপরাহ্ণ

26

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাহী সুবিধার আবেদন আবারও নাকচ করেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে ট্রাম্প চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ইউএস ক্যাপিটলে হামলার তদন্তকারী কমিটিকে কিছু জরুরি নথি হাতে পাওয়া থেকে বিরত রাখতে চেয়েছিলেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন’র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা ডানা রেমাস ন্যাশনাল আর্কাইভ প্রধান ডেভিড ফেরিয়েরোকে গত সোমবার চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে, ট্রাম্পের অনুরোধ বাইডেন রাখবেন না।

কার্যত, সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প তার নির্বাহী সুবিধা কাজে লাগিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি গোপন রাখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

ইতোমধ্যে ট্রাম্প তার প্রশাসনের সব নথির তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা ন্যাশনাল আর্কাইভসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, উল্লেখিত গোপন নথিগুলো যাতে কংগ্রেসের কাছে না পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করা। আদালত থেকে ভিন্ন কোনো আদেশ না পাওয়া গেলে ন্যাশনাল আর্কাইভস নথিগুলো তদন্ত কমিটির কাছে ১২ নভেম্বর থেকে হস্তান্তর করা শুরু করবে।

সিএনএন’র সংগৃহীত চিঠিতে রেমাস বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য বিবেচনায় নিয়েছেন এবং আমি আইন বিভাগের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছি।’

‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন নিশ্চিত হয়েছেন যে, এ ক্ষেত্রে নির্বাহী সুবিধা দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থ পরিপন্থী এবং এ কারণে হোয়াইট হাউসের কাছে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ও ২৩ সেপ্টেম্বর দেওয়া নথির ক্ষেত্রে এ দাবি ন্যায়সঙ্গত নয়। সার্বিক বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ সুবিধার দাবি মেনে নিচ্ছেন না’, যোগ করেন তিনি।

তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মার্কিন সরকারি সংস্থার কাছে বিভিন্ন ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। কমিটি সুনির্দিষ্টভাবে ৬ জানুয়ারি ‘হোয়াইট হাউসের সব অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের বিস্তারিত নথি’ চেয়েছে। যার মধ্যে আছে সব ফোন কলের লগ, শীর্ষ কর্মকর্তা ও উপদেষ্টাদের বৈঠক ও অন্যান্য কার্যক্রমের বিস্তারিত।

আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, এই নথিগুলো বিশেষ সুবিধার আওতায় পড়বে কিনা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আছে শুধু প্রেসিডেন্ট বাইডেনের। যেহেতু তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে আছেন বাইডেনের দলের প্রতিনিধিরা, এ ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করানোর সম্ভাবনা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা