৩রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

গ্যালারিতে ছেলের মুখ দেখে আপ্লুত ইতালির ডিফেন্ডার

আপডেট : জুন ১২, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ণ

111

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

যেকোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ দর্শক ও ম্যাচে নামা খেলোয়াড়দের জন্য একটু আবেগের। এবারের ইউরোর উদ্বোধনী ম্যাচ ইতালির খেলোয়াড়দের জন্য যেন একটু বেশিই আবেগের ছিল। করোনাভাইরাস মহামারির ধাক্কায় বিপর্যস্ত ইতালির মানুষের জন্য এবার ইউরোয় কিছু একটা করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে নেমেছে তারা। গ্যালারিতে সমর্থকেরা জাতীয় দলের জন্য স্লোগান দিচ্ছেন—নিজেদের মাঠে ইউরোর শুরুর ম্যাচ।এসব দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন চিরো ইম্মোবিলেরা।

ইতালির ডিফেন্ডার স্পিনাৎসোলাকেও আবেগ ছুঁয়ে গেছে। এত দিন পর ইতালির হয়ে কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে নেমেছেন। আর সেই খেলা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিল তাঁর ছেলে। খেলার ফাঁকে ছেলের মুখটা যখন গ্যালারিতে দেখলেন, আবেগ ছুঁয়ে গেছে স্পিনাৎসোলাকে।

নিজেদের মাঠ রোমের স্তাদিও অলিম্পিকোতে তুরস্কের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতেছে ইতালি। স্পিনাৎসোলা গোল করেননি, সতীর্থদের গোলে অবদানও রাখতে পারেননি। তবে দুর্দান্ত খেলার কারণে ম্যাচসেরা হয়েছেন ইতালির এ ফুলব্যাক। এই ম্যাচ আর জয় তাঁর ও ইতালি দলের জন্য কতটা আবেগের ছিল, সেটা বোঝাতে গিয়ে স্পিনাৎসোলা বলেছেন, ‘আবেগের শুরু দলের বাস স্টেডিয়ামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করা থেকে। বাসে যেতে যেতে রাস্তায় মানুষ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। এটা আমাদের চঞ্চল করে তুলেছিল।’

স্পিনাৎসোলা এরপর বলেছেন আবেগ তাঁকে কখন সবচেয়ে বেশি ছুঁয়ে গিয়েছিল তা নিয়ে, ‘আমাদের দিক থেকে এটা ছিল নিখুঁত পারফরম্যান্স। মাঠে চারদিকে বল ভালোভাবে খেলাতে পেরেছি। একটা সময় আমি আমার ছেলেকে গ্যালারিতে দেখতে পেলাম। এটা ছিল ভীষণ আবেগের।’

গ্যালারিতে সমর্থকদের দেখার আবেগ আছে। আবেগ ছিল দুর্দান্ত এক জয়ে করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারার জন্যও। এই আবেগের দরকার আছে বলেই মনে করেন ইতালির আরেক ডিফেন্ডার বোনুচ্চি, ‘একটা অভিযান শুরুর সময় কিছু উদ্বেগ আর উত্তেজনার দরকার আছে।’ তবে সতীর্থদের বাস্তবতাটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জুভেন্টাসের ডিফেন্ডার, ‘দীর্ঘ যাত্রার এটা কেবল শুরু। তাই পা মাটিতে রাখতে হবে আমাদের।’

তুরস্কের বিপক্ষে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি বোনুচ্চি। তবে সামনে কঠিন সময় আসবে বলেই মনে করেন তিনি। সেই কঠিন সময় পেরোনোর সামর্থ্য ইতালির আছে বলেও বিশ্বাস তাঁর, ‘আমাদের হয়তো কিছু ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করতে হবে। প্রতিপক্ষরা আমাদের খেলাটা বুঝে যাবে। কিন্তু আমাদের লড়াই করার সামর্থ্য আছে। আগামীকাল থেকে তাই সব নেতিবাচক মনোভাব ঝেড়ে ফেলে পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।’

সূত্র: প্রথম আলো




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি