২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঢাকা ছেড়ে গ্রামে ছুটছে মানুষ

আপডেট : মে ৮, ২০২১ ৮:২৮ অপরাহ্ণ

181

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল সরকার লকডাউনের ঘোষণা দেওয়ার পরই অনেকের চাকরি চলে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে শহরের অনিশ্চিত জীবন ফেলে বিষণ্ন মুখে গ্রামের বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন তারা।

অনিশ্চয়তায় শত শত মানুষ গাবতলীর বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে ভিড় করছেন। কীভাবে যাবেন, কত ভাড়া লাগবে, আদৌ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন কি না—এমন নানা প্রশ্নের কোনো জবাব নেই। তবু প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বাড়িফেরা মানুষের দর–কষাকষি চলছেই।

লকডাউনের কারণে আয় বন্ধ হওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ কিংবা ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরে ফেরা লোকজনই নয়, দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন ঢাকায় চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র লোকজনও। চিকিৎসা নিতে এসে কিংবা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরতে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।

দূরপাল্লার গণপরিবহন না পাওয়ায় মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে বসে গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকেই। শনিবার বিকেলে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দনিয়া এলাকায় দূরপাল্লার গণপরিবহন না পাওয়ায় মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে বসে গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকেই।

শনিবার (৮ মে) সকালে সরেজমিন দেখা যায়, গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনে থেকে গাবতলী-আমিনবাজার সেতু পর্যন্ত জায়গায় জায়গায় মানুষের জটলা। কোথাও যাত্রীরা এক হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কোনো বাহন পাওয়ার আশায়। কোথাও আবার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ও মোটরসাইকেলচালকেরা যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছেন। কেউ গেলেই চালকেরা গন্তব্য কোথায়, তা জিজ্ঞেস করছেন।

পাটুরিয়া কিংবা আরিচা ঘাট পর্যন্ত মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারে করে ৪০০-৫০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। মোটরসাইকেলেও ভাড়া প্রায় একই। দর-কষাকষিতে ভাড়া কমবেশি হচ্ছে। পাবনা, ফরিদপুর ও যশোর জেলাগুলোর জন্য জনপ্রতি ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরের যেতে নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা।




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি