২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শাল্লায় হামলা মামলায় গ্রেপ্তার আরও ৩

আপডেট : মার্চ ২১, ২০২১ ১:২৩ অপরাহ্ণ

121

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন মিয়াকে (৫০) গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ রবিবার তাকে শাল্লা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

শহিদুল ইসলাম দিরাই উপজেলার নাসনি গ্রামের বাসিন্দা ও সরমঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। নোয়াগাঁওয়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিনি এই হামলার পেছনের মূল ইন্ধনদাতা।

নোয়াগাঁও গ্রামের ঝুমন দাস (২৮) হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছেন—এমন অভিযোগ তুলে গত বুধবার সকালে আশপাশের চার গ্রামের লোকজন ওই গ্রামে হামলা চালায়। এ সময় গ্রামের বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙচুর–লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাল্লা থানায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলা করে শাল্লা থানার পুলিশ, অপর মামলাটি করেন নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় হবিবপুর ইউপির চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার।

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় দুটি মামলায় আসামি করা হয় দেড় হাজার। রবিবার (২১ মার্চ) পর্যন্ত ওই দুই মামলায় প্রধান আসামিসহ মোট ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি