৩রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মৈত্রী সেতু’র উদ্বোধন; অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট অবদানের আশা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : মার্চ ৯, ২০২১ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

140

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ-ভারতকে যুক্ত করা খাগড়াছড়ির রামগড়ে ফেনী নদীর ওপর নির্মিত মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করলেন দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী। আজ দুপুরে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১’ এর উদ্বোধন করেন। একইসঙ্গে ত্রিপুরার সাবরুমে একটি ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টেরও ভিত্তি স্থাপন হয়।

এই সেতুকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অব্যাহত সহযোগিতার স্মারক হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ভারতকে কানেকটিভিটি দেওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন যুগের সৃষ্টি করেছে। মৈত্রী সেতু দুই দেশের মধ্যে শুধু সেতুবন্ধনই রচনা করবে না, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট অবদান রাখবে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সেতুকে দুই দেশের মধ্যে নতুন ‘বাণিজ্য করিডোর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এই সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য, মানুষে মানুষে সংযোগের ক্ষেত্রে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হল। আর এই মৈত্রী সেতুর কারণে ত্রিপুরা হয়ে উঠল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে নর্থ-ইস্টে পৌঁছানোর গেটওয়ে। ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু রামগড়ের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরার সাবরুমকে যুক্ত করেছে।’

সেতুটির দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এটি রামগড়ের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরার সাবরুমে যুক্ত হয়েছে। ১৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন নির্মাণ করেছে এই সেতু। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এই সেতু দিয়ে সহজেই ত্রিপুরাসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে। ফেনী নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির নাম রাখা হয়েছে ‘মৈত্রী সেতু’।




স্মৃতি ও স্মরণ

ছবি