৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব।

আপডেট : ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১ ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

19

হাসান তামীম, ভিয়েনা থেকে

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় পঞ্চাশ বছর। কিন্ত এত বছর পরেও কে মুক্তিযোদ্ধা কিংবা কে মুক্তিযোদ্ধা নন তা নিয়ে রয়েছে এক ধরনের নোংরা রাজনীতি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ধর্ম বর্ণ দল গোত্র নির্বিশেষে সকলেই একই উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করেছে এবং সেটি হলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আমরা পেয়েছি কিন্ত যারা বাংলাদেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে তাদেরকেই নিয়ে আজ করছি আমরা নোংরামি। এতে করে আমাদের জাতির বীর সন্তানদের এক অর্থে অসন্মান করা হচ্ছে।

স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরেও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তথ্য নিয়ে এতটা গড়মিল কেনো? অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম দেখছি যারা সরকারি পর্যায়ে কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্ত কিভাবে সম্ভব? দেশপ্রেম এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসা না থাকলে এমনটাই হবে।

জাতির বীর সন্তানদের সঠিক মূল্যায়ন এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সঠিক তথ্য তরুন প্রজন্ম জানতে চায়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা নোংরামি তরুন প্রজন্ম দেখতে চায় না। আমরা চাই না ভুয়া সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থাকুক। আমরা চাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুক্ত সুস্থ ধারার গনতন্ত্র। কাদা ছোড়াছুড়ি করলে দেশের উন্নয়ন হবে না বরং কিছু লোকের স্বার্থ উদ্ধার হবে।