২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকতে চায় সৌদি প্রবাসী আওলাদ চৌধুরী

আপডেট : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০ ৯:২৯ অপরাহ্ণ

53

সোহেল রানা, জেদ্দা থেকে

আজ থেকে প্রায় হাজার ১৮ বৎসর আগে জীবন ও জীবিকার তাগিদে হবিগঞ্জ জেলা, বানিয়াচং উপজেলার, ১ নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন, মীর মহল্লা গ্রামের আওলাদ চৌধুরী সৌদি আরবের জেদ্দায় আসেন। কঠোর পরিশ্রম করে আওলাদ চৌধুরী নিজেকে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত করতে থাকেন। তার সেই কষ্টার্জিত টাকা বাংলাদেশে বড় ভাই আলী হোসেন চৌধুরী ও ছোট ভাই আহমদ হোসেন চৌধুরীর কাছে জমি ক্রয় করার জন্য পাঠাতে থাকেন।

আওলাদ হোসেন চৌধুরী ছুটিতে বাংলাদেশে গিয়ে জানতে পারেন তার পরিশ্রমের সকল টাকা বড় ভাই ও ছোট ভাই মিলে আত্মসাৎ করেছেন। তিনি তাদের কাছ থেকে টাকা গুলো ফেরত চান, এক পর্যায়ে কথা কাটা কাটি হয় এবং তারা তাকে মারধর করে এবং ঘরের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তিনি মহল্লার মুরুব্বিদের কাছে বিচার দাবি করেন, বিচারক গণ আওলাদ চৌধুরীর কাছ থেকে টাকা পাঠানোর উপযুক্ত প্রমাণ চান, আওলাদ চৌধুরী তার পাঠানো ৪ লক্ষ ৪০ হাজার সৌদি রিয়াল এর ব্যাঙ্ক ডকুমেন্ট সহ উপস্থাপন করেন। তখন বিচারক গণ তার দুই ভাইকে পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য রায় প্রদান করেন।

তারা আজ দিচ্ছি কাল দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করেন, এভাবে তার ছুটির সময় কাছাকাছি চলে আসে, তিনি ভিসা বাঁচানোর জন্য আবারো সৌদি আরবে চলে আসেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় সৌদি আরবে আসার পর আউলা চৌধুরীর পরিবারের উপর, তার বড় ভাই ও ভাবী হ্যাপি বেগম এবং ছোট ভাই সহ আরো অনেকে মিলে অত্যাচার করতে থাকে।

এক পর্যায়ে তার ঘড় বাড়ি ভাঙচুর করে তার স্ত্রী ও সন্তানদের কে ঘর থেকে বের করে দেন এবং ঘরের সকল মালামাল লুট করে নিয়ে যান। আওলাদ চৌধুরী বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল জেদ্দায় এসে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এই মামলার বিষয়টি আসামি পক্ষ জানার পর আউলা চৌধুরীর স্ত্রী ও সন্তানদেরকে হত্যা ও গুম করার হুমকি দেন। এ অবস্থায় প্রবাসী আওলাদ চৌধুরী তার স্ত্রী সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।