২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সালামি জমিয়ে জমি কিনেছেন ঐশী

আপডেট : মে ১৪, ২০২১ ৫:০৩ অপরাহ্ণ

27

ভয়েস বাংলা ডেস্ক

শৈশব থেকে ঈদে পাওয়া সালামির টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। সেই টাকায় গ্রামের বাড়িতে এক টুকরো জমি কিনেছেন অভিনয়শিল্পী ও মডেল জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। প্রতি ঈদে পাওয়া সালামি তিনি জমাতেন মাটির ব্যাংকে। সেই টাকাগুলো একদিন বাবার হাতে তুলে দেন। ঐশীর সঞ্চয় করা টাকা দিয়ে মেয়ের জন্য একখণ্ড জমি কিনেছেন তার বাবা।

ঐশীর বেড়ে ওঠা পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার মাটিভাঙা গ্রামে। শৈশব-কৈশোর কেটেছে সেখানেই। সালামি হিসেবে পাওয়া টাকার কিছু অংশ খরচ করে মেলা থেকে মাটির পুতুল, হাঁড়ি-পাতিল, মুরগি, মাছ কিনতেন ছোট্ট ঐশী। এখনো গ্রামে গেলে জমিটা দেখিয়ে বাবা সেসব কথা মনে করিয়ে দেন।

ঐশী জানান, শৈশব থেকেই তিনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত কখনোই খরচ করতেন না। জমি কেনাটা হয়তো বড় কোনো ব্যাপার না। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে বাবা তাকে শিখিয়েছেন, টাকাকে সম্পদে পরিণত করা যায়।

ঐশীর বাবার নাম মোহম্মদ আবদুল হাই। তিনি বৃক্ষরোপণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেয়েছেন। শৈশব থেকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠা ঐশীও ভবিষ্যতে পরিবেশের উন্নয়নে কাজ করতে চান।

 ঈদের দিন পাড়া প্রতিবেশীদের বাড়িতে সময় করে যাওয়া হতো ঐশীর। গ্রামের অনেকেই ঈদের দিন তাঁদের বাড়িতে আসতেন।

ঐশী জানান, ঢাকায় পড়লে হয়তো বড় একটা স্কুল–কলেজে পড়ার সুযোগ পেতেন। কিন্তু গ্রাম তাকে দিয়েছে হৃদ্যতার অভিজ্ঞতা। সে কারণে এখনো ঈদ এলে গ্রামটাকে ভীষণ মিস করেন তিনি।

২০১৮ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের মুকুট জেতেন ঐশী। তার ইচ্ছা ছিল সিনেমায় অভিনয়ের। ২০১৯ সালে সেই সুযোগ পেয়ে যান তিনি। ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। সিনেমাটি ২০২০ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মহামারির কারণে তা আর হয়নি। বছর ঘুরে আবার এল ঈদুল ফিতর। এবারও করোনা পরিস্থিতির কারণে সিনেমাটির মুক্তি পিছিয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো