১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মন্ত্রীর ভদ্রতা ও রাজাকারের আন্ডাবাচ্চাদের ট্রল

আপডেট : মার্চ ১৪, ২০২১ ১:২৭ অপরাহ্ণ

27

ফজলুল বারী

যখন ইন্টারনেট ছিল না তখন শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী ফটো সাংবাদিকরা তাদের পত্রিকা-মিডিয়া অফিসে আগেভাগে ছবির ফুটেজের ক্যাসেট অথবা ফিল্ম পাঠিয়ে দিতেন। এজন্য নির্দিষ্ট ট্রেন-বাস বা বিশেষ গাড়ি ব্যবহার করা হতো। শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়া থাকতেন তাদের সভার শেষ বক্তা। তখন অগ্রিম কিছু ছবি-ফুটেজের জন্য ফটো সাংবাদিকদের অনুরোধে তারা মঞ্চ বা মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে এক দুই কথা বলে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তেন। সেই ছবি বা ফুটেজের ক্যাসেট বিশেষ বাহক মারফত চলে যেত সংশ্লিষ্ট মিডিয়া অফিসে।

এখন ইন্টারনেটের কারণে বাংলাদেশের প্রায় সমস্ত স্পট থেকেই ছবি ফুটেজ-ছবি- রিপোর্ট পাঠানো যায়। এরপরও কোন একজন ফটো সাংবাদিক যদি দেরিতে পৌঁছায় বা কোনো কারণে যদি কোনো ফুটেজ না পান তখন অন্য কোনো ফটো সাংবাদিকের বা মিডিয়া অফিসের কাছ থেকে ফুটেজ চেয়ে নেন। অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আবার ছবির জন্য পোজ দিতে অনুরোধ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটেছে। এটিএন নিউজের ফটো সাংবাদিক ফুটেজ মিস করেছেন। ততোক্ষণে টিকা দিয়ে ফেলেছেন মন্ত্রী। পরে ওই ফটো সাংবাদিকের অনুরোধে সরল বিশ্বাসে মন্ত্রী আবার ছবির জন্য পোজ দেন। এই অপরাধ সংশ্লিষ্ট ফটো সাংবাদিকের। কিন্তু পুরো ঘটনা না জেনে রাজাকারের আন্ডা বাচ্চারা মোজাম্মেল হকের মতো একজন নিরেট ভদ্রলোক সিনিয়র সিটিজেন, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক ট্রল করছে।

(লেখক- অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাংবাদিক। লেখকের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে। )